Page 204 - Kolaj Sharodiya Review Edition
P. 204

(       ;   -)


                                                                              ||       –       


             �
         “মা, তই বলিছিল ওরা �া�ণ! আমােদর ঢ�কেত েদেব ওেদর বািড়?”
         “েতামার কথা জািন না… তেব আমায় েদেব।” �ভাথ �বাণী চ�ল আঁচড়ােত আঁচড়ােত আয়নায় তািকেয় হাসল।
         েছাট বা�ার েকামল লািথর মেতা লাগল বেট, িক� বুক িচনিচন একই রকম। সামেল িনেয় পালাদাসু ভাবেত লাগল।
         সিত�ই েতা, তার একটা জুতসই জামা পয �� েনই। িদেনর েবলায় ছ � েতােরর কাজ আর রােত িসেনমার েসেক� েশা পয �� িরকশা টানা— ময়লা গা-হাত, উশেকা-খুশেকা চ�ল। পা ধুেলায় ধূসিরত— জ� েথেক আজ পয ��
         েস চ�ট পেরিন। িক� তার েমেয়— েকউ িব�াসই করেব না এ তার েমেয়— এত সু�রী!
         তবু েস থামল না— “েশান মা, তই েতা জািনসই, মােন, আমরা িনচ� জাত…”
                               �
         “দ�ােখা বাবা, ওরা ওরকম না। জাতপাত ধম � িনেয় ওরা ভােব না। আমার ব� ু র বাবা কত বই িলেখেছন। তােত েলখা আেছ সব মানুষ সমান। রাজামু�� থাকেত ওেদর বািড় কতবার েগিছ। পুেরা বািড়েতই আিম ঘুের েবড়াই।
         আমার ব� ু  েতা ওেদর রা�াঘেরও িনেয় েগেছ আমায়।”
                                                                     ঁ
         “তাহেল যাও। েবিরেয় পেড়া িশগিগর, সাবধােন েযও।” পালাদাসু এবার �ীর উে�েশ� েচচাল— “কী েগা? েগেল েকান মুলুেক?” সুটেকসটা কাঁেধ তেল িনেয় বলল, “আিম ে�শেন যা�� েমেয়র ে�ন ধরােত। েদবাসহায়ম
                                                                                                              �
         এেল দাঁড়ােত েবােলা।” তারপর েমেয়র িদেক তাকাল— “চল মা।”
         “বাবা, েছেড় দাও। সুটেকসটা নামাও। তিম ে�শেন যা� েকন? আেরকটা িরকশা েডেক দাও। আিম িনেজই চেল যাব।”
                                    �
                      �
         “না না। এত ভারী তই বইিব কী কের মা? আিমও যাই সে�।”
                                        �
         “আমার কথা েশােনা। েকানও দরকার েনই। তিম বলিছেল না কীসব কাজ আেছ? তার ওপর েদবাসহায়ম কাকাও আসেছ বলেল।”
         পালাদাসু জােন তার েমেয় তােক সে� েযেত েদেব না। তাই অন� একটা িরকশা ডাকেত েস েবিরেয় েগল।
         কপা�া ি�েলর �টিফন বা�টা ব� কের আঁচেল মুছেত মুছেত এিগেয় িদল— “িডেমর েঝাল।” তারপর একট� েথেম বলল, “আজ েব�িতবার, তাই একট� মাংস এেনিছলাম। িক� লাভ কী! তই েতা খািব না।” �টিফন বা�টা
                                                                                                                                           �
          ৃ
         একটা পিলিথেন ভের েমেয়র িদেক এিগেয় িদল।
         “মা, আমার েপেট সয় না। নাহেল মাংস খাব না েকন?”
         জাকারায়া ফট� হাঁিড় খুেল একটা বড় হাড় েবর করিছল। একটা বা�টেত েসটা তেল িনেয় েমেঝেত এিগেয় এেস বসল িশলেনাড়ার পােশ।
                 ু
                                                                 �
          ু
                                                                           �
         “কিড় বছেররও েবিশ খাওয়ার পের এখন হঠাৎ েপেট সইেব না েকন? তিম ভাও খা� ফালত। তিম এখন মাংস েছাও না, যােত ব� ু েদর বলেত পােরা তিম িবফ খাও না।”
                                                          �
                                                                                                                 �
                                                                         �
         জাকারায়া �ভাথ �বাণীর েছাট ভাই। বাইেবেলর জাকারায়ার মেতা েবেট বেল তার ওই নাম।
                                                       ঁ
         ধূমায়মান হাড়টা শ� কের ধের িশেলর ওপর ঠ�েক ঠ�েক েভতেরর ম�া েবর কের মুেখ ঢ�িকেয় টানেত �� করল। েসই অমৃেতর সামান� রসা�াদেনর পের িদিদর িদেক ঘুরল— “আেগ রিববার এেলই মােক �ালােত—
         ‘মা, িকছ � টা েমেট এেনা। পাঁইয়ার মাংস িনেত ভ � েলা না। মা, গ�ুরা িদেয় েরেধা।ʼ তারপর েতা রা�া েশষ হেত তর সইত না। হাঁিড় চ�েলােত থাকেত থাকেত ট�কেরা-টাকরা তেল েখেত �� করেত। এখন উঁচ� �ােস উেঠছ
                                                            ঁ
                                                                                                                              �
         বেল গ� খাওয়া ব� কেরছ।” জাকািরয়ার �ট�নী চলেতই থােক— “িক� এখনও িবফ খাওয়ার জেন� েতামার েনালা ঝের। আিম জািন।”
         “হ�াঁ, আিম খাওয়া ব� কেরিছ, যােত তই আমার ভােগরটাও মুেখ ঠ�সেত পািরস।” �ভাথ �বাণী ঝাঁ�ঝেয় ওেঠ। িনছক রাগ নয়, েসই একই িবষয় তেল আনার জেন� েস ভাইেয়র ওপর দা�ণ িবর� হয়।
                                                                                                            �
                                   �
         “ওর কথা বাদ েদ মা। ওখােন েপাঁেছই আমােদর িচ�ঠ িলিখস।” কপা�ার কােছ েমেয় এখনও বা�াই। আসেল এই কথা�েলা বেল েমেয়র িপেঠ হাত রাখেত েচেয়িছল েস। িক� মাঝপেথই থমেক যায় িনেজর হােতর িদেক
                                                     ৃ
         তািকেয়— চারবািড়র বাসন েমেজ তার তালুেত কােলা েরখা আর নেখর েকােণ ছাই।
         “আ�া িলখব। িক� েতামার শািড়র কী অব�া! এত ওপের তেল পেরছ েকন? নামাও এ� ু িণ। কতবার বেলিছ, ঘুম েথেক উেঠ চ�ল আঁচড়ােব?”
                                                   �
         তার মুেখর কথা েকেড় িনেয় জাকারায়া িদিদর নকল কের বলেত �� করল— “আর মুেখ পাউডার লাগােব, পাট করা শািড় পরেব, গ�ােসর উনুেন রা�া করেব, �টিভ েদখেব…” েস হা-হা হাসেত �� করল।
         তত�েণ হােতর হােড়র ম�া খাওয়া েশষ। এবার হাড়টা িশেলর ওপর েরেখ ঠ�েক ঠ�েক ভাঙেত �� করল েস। তারপর আেখর মেতা ভাঙা ট�কেরা�েলা িচিবেয় িচিবেয় থু-থু কের েফলেত লাগল। দু-একটা ট�কেরা
          ু
         ককরটার িদেকও ছ �ঁেড় িদল। ভাইেয়র এমন কা�কারখানা আর কথাবাত�ােত েতেলেব�েন �েল উঠল �ভাথ �বাণী— “িছ! েতার সে� আর কথা বলব না।” ঘর েথেক েবিরেয় এেস েস উেঠ বসল বাবার েডেক আনা
           ু
         িরকশায়।
                        ৃ
         “সাবধােন যাস মা।” কপা�া হাঁট�র ওপের উেঠ যাওয়া শািড় নামােত নামােত বলল।
   199   200   201   202   203   204   205   206   207   208   209